বৌভাত অনুষ্ঠানে এতিমদের নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ফ্রান্স ছাত্রলীগের প্রতিষ্টাতা সভাপতি এম আশরাফুর রহমানের

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নিজের বৌভাত অনুষ্ঠানে এতিমদের নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলেন ফ্রান্স ছাত্রলীগের প্রতিষ্টাতা সভাপতি এম আশরাফুর রহমান। বর্তমান সময়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে সামাজিকতা রক্ষার স্বার্থে বিয়ের দাওয়াত দেয়া হয় সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের। তবে এবার নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যতিক্রমি এক আয়োজন করলেন তিনি। মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখালেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ফ্রান্স শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জুড়ীর কৃতি সন্তান এম আশরাফুর রহমান। সম্প্রতি দেশে এসে তিনি নিজ এলাকায় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। আর ওই বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে এতিমদের বেশি প্রধান্য দিয়ে খাবার খাওয়াচ্ছেন এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেই আশরাফুর রহমানকে মানবতার প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে নজরে পড়লো আমন্ত্রিতদের মধ্যে সমাজের প্রতিষ্ঠিত নানা শ্রেনীর নেতৃবৃন্দদের প্রতি তেমন নজর না দিয়ে বর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুর রহমান ও তাঁর নব-বিবাহিত স্ত্রী সৈয়দা কান্তা হোসেনকে সাথে নিয়ে এক টেবিলে বসে বিপুল সংখ্যক এতিমদের সাথে খাবার খাচ্ছেন এবং তাদের খাওয়াচ্ছেন। এমনকি এতিমদের নির্ধারিত খাবার টেবিলে আশরাফ ও তাঁর স্ত্রী সৈয়দা কান্তা হোসেন সার্ভিস ম্যানের মতো দায়িত্ব পালন করেন। এসময় ওয়ালিমাতে আসা অনেকেই ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতার ব্যতিক্রমি মানবতা দেখে উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হোন এবং প্রশংসা করেন।

জানা যায়, জনপ্রিয় ছাত্রনেতা এম আশরাফুর রহমান ছোটবেলা থেকে সমাজের অবহেলিত, দারিদ্র, ও এতিমদের সব সময় সহায়তা করতেন। প্রবাস জীবনে থেকেও সেখান থেকে দেশের মানুষের কল্যাণময় কাজ করে যাচ্ছেন এবং সব সময় যোগাযোগ রাখেন।

এদিকে নবদম্পতির কাছে জানতে চাইলে তাঁরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তারা একে অপরকে পেয়ে খুশি। মানুষ মানুষের কল্যানে এই স্লোগানকে প্রতিষ্ঠিত করা তাদের মূল লক্ষ্য। সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে সব সময় সম্পৃক্ত থাকতে পারেন এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আর সমাজের নিরিহ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তশালীদের প্রতি আহবানও জানান তারা।


No comments: