পর্যটন বিকাশ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণে হাকালুকি হাওর ভ্রমন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার

সাইফুল ইসলাম সুমন: প্রতিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বাংলাদেশেও দুটি রামসার এলাকা রয়েছে। একটি সুন্দরবন। অপরটি টাঙ্গুয়ার হাওর। ২০০০ সালে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরকে রামসার সাইটের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই হাকালুকি হাওরকে রামসার সাইটের অন্তুর্ভুক্ত করার দাবি উঠে । মৎস্য অভয়াশ্রম, পাখির অভয়াশ্রম, উদ্ভিদ ও জলাভূমির আধার হাকালুকি হাওর রামসার সাইটের অন্তর্ভুক্ত হলে প্রাণ-প্রকৃতির সংরক্ষণ হবে বলে মতামত দেন সংশ্লিষ্টরা। এবার এশিয়ার বৃহত্তম মৌলভীবাজার এবং সিলেটের কিছু অংশ নিয়ে অবস্থিত হাকালুকি হাওরকে রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। 

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে হাকালুকি হাওরে পর্যটন বিকাশ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণে সার্বিক বিষয় পরিদর্শনের জন্য হাকালুকি হাওর ভ্রমন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোদেজা খাতুন, জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসীম চন্দ্র বনিক, সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূসরাত লায়লা নীরা, জুড়ী থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, শ্রীকান্ত দাস, সালেহ উদ্দিন আহমদ, শাহাব উদ্দিন লেমন প্রমুখ।


No comments: