প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জুড়ীতে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাইফুল ইসলাম সুমনঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক এর উদ্যোগে এবং উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ বারের চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ। ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল হান্নানের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জুড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস, জুড়ী টাইমস এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলহাজ্ব আজিজুর রহমান আজিজ, জুড়ী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখরুল ইসলাম, উপজেলা তাতীলীগের সভাপতি আরমান আলী, তরুন সমাজসেবক সুহাদ আহমদ প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে, আধুনিক এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনার সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। পাশাপাশি শেখ হাসিনার পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি। উক্ত সভায় দিবসটি উপলক্ষে শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয় ।।

উল্লেখ্য, ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৮তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে এই দিনে দেশে ফেরেন তাঁর এই জ্যেষ্ঠ কন্যা। ওই দিন শেখ হাসিনাকে বহনকারী ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে ঢাকার তৎকালীন কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তাকে একনজর দেখার জন্য লাখো জনতার ঢল নামে। এ সময় সামরিকতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে গোটা বিমানবন্দর এলাকা।  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ সময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। ১৯৮১ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহাসিক হোটেল ইডেনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়।  দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে শেখ হাসিনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সরকারের অব্যাহত সাফল্যসহ তাঁর (শেখ হাসিনা) নিজের ও পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।  


No comments: