নৌকায় ভোট দিতে মুখিয়ে আছে মানুষ; আবুল কালাম আজাদ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক মুক্ত সমাজ গঠন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত  গ্রাম কে শহরে উন্নীত করনের ভিষন বাস্তবায়নের লক্ষে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ৩য় ধাপে আগামী ২৪ মার্চ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পুনরায় জনসেবার সুযোগ দেবেন ভোটাররা। যেহেতু নৌকা উন্নয়নের প্রতিক তাই নৌকাকেই বেছে নেবে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।

শনিবার বিকেলে নিজ বাসভবনে বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কালাম আজাদ একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, আ’লীগের একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে অতীতে যেভাবে মানুষ আমাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাশে রেখেছেন, আমি আশাবাদী এবারও তারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে পাশে রাখবেন। আমি সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করি বলেই দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখনো বালিয়াকান্দির উপজেলাতে অনেক কাজ বাকী আছে। বিশেষ করে কিছু সড়কের উন্নয়ন বাকী রয়েছে সে কাজগুলো সমাপ্ত করা প্রয়োজন। অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তের মাধ্যমে আগামীতে বালিয়াকান্দি উপজেলাকে একটি আধুনিক উপজেলা হিসেবে মানুষের মাঝে উপহার দিতেই আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছি। ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে ইতিপূর্বে ৬ বার তাদের পাশে রেখেছেন আমি আশাবাদী এবারও তারা সে কাজটি করবেন।

১৯৮৮ সাল থেকে টানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২১ বছর তিনি ৪ বার নবাবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অভুতপূর্ব জনপ্রিয়তার কারণে সে সময়ে তার কোন প্রতিদ্বন্দী ছিল না। এরপর ২০০৯ সাল থেকে টানা ২য় বারের মত তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। এছাড়াও তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

আবুল কালাম আজাদ ১৯৫৬ সালে নবাবপুরের চর দক্ষিনবাড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আব্দুল ওহাব ও মোছা: আছিয়া খাতুনের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি।

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এরই মধ্যে তিনি পেয়েছেন স্বর্নপদক। শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়নের ফলে তিনি ২০১৪ সালে শিক্ষা বিভাগে রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন। তাছাড়া ২০১৪ সালের আগষ্টে সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে প্রশিক্ষণে যান। সবাই তাকে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে চেনেন ও জানেন।

১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সারা দিয়ে তিনি নিজের সংসার ও পরিবার পরিজন রেখে ঝাপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আবুল কালাম আজাদ নিজ দল ছাড়াও ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে তিনি একজন প্রিয় মানুষ। একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে রয়েছে সুপরিচিতি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় দলের কাজ করে চলেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার যে প্রত্যয় গ্রহণ করেছেন তার একজন কর্মী হয়ে মাননীয় এমপি জিল্লুল হাকিমের সাথে পুনরায় কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি পদের জন্য দল করি না। কাজেই চাওয়া পাওয়া বলতে কিছুই বুঝি না। তবে সাধারণ মানুষের অনুপ্রেরণায় দলের একজন আদর্শ কর্মী হিসেবে সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখার জন্য অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্যে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পুনরায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হতে চাই।

ভোটাররা নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তের মাধ্যমে এই উপজেলাকে ক্ষুধা, দারিদ্র, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত একটি উপজেলা হিসেবে ঘোষণার সুযোগ দেবে বলে আশাবাদী তিনি।

No comments: