জুড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুকের পক্ষে গণসংযোগ অব্যাহত রাখছেন তার সহধর্মীনি শাহীন ফারুক

সাইফুল ইসলাম সুমন, জুড়ী থেকেঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক। তিনি উপজেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মুমীত আসুকের ছোট ভাই। একাত্তরের রণাঙ্গনের অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সময়ের সাহসী সন্তান, হল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, জুড়ী তৈয়বুননেছা খানম সরকারি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এম.এ মোঈদ ফারুক দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশ মাতৃকার টানে এবার নিজ উপজেলাবাসীর সেবা করার মানষে এবং জুড়ী উপজেলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার নিয়ে আনারস প্রতিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। প্রতিক বরাদ্ধের পর থেকে তিনি নিরলশভাবে দিন-রাত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, পাড়া, মহল্লায় ঘুরে ঘুরে প্রতিটি মানুষের সাথে কুশল বিনিময়সহ সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন। এদিকে তার সহধর্মীনি শাহীন ফারুক সুদুর হল্যান্ড থেকে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিতে দেশে ছুটে আসেন। শাহীন ফারুক দেশে আসার পর থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবদি তার স্বামীর মত নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সল্প সময়ের গণসংযোগে তার স্বামী এম.এ মোঈদ ফারুকের আনারস প্রতিকে ভোট আদায়ে উপজেলার সর্বস্তরের ভোটারদের মন আকৃষ্ট করতে পেড়েছেন শাহীন ফারুক। স্বামীর মত সাহসীকতা, কথা-বার্তা ও আচার-আচরনে পিছিয়ে নেই শাহীন ফারুক। এক সময়ের জাতীয় পর্যায়ের ছাত্রী নেত্রী ও বর্তমান সময়ের নারী নেত্রী বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন ফারুক তার স্বামী এম.এ মোঈদ ফারুকের আনারস প্রতিকের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় তার সহযোগি হিসেবে এলাকার নারীকর্মী ও সমর্থকদের ভাগে এনে উপজেলার সর্বত্র চষে বেড়াচ্ছেন। তার স্বামীর পক্ষে গণ জোয়ার দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন শাহীন ফারুক । ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে তার স্বামীর আনারস প্রতিকের প্রতি ভোটারদের জনপ্রিয়তা ততই বাড়ছে। একপ্রতিক্রিয়ায় শাহীন ফারুক বলেন, প্রবাস জীবন ছেড়ে নাড়ির টানে দেশে ফিরে নির্বাচনী এলাকা জুড়ীর মানুষ আমার স্বামীর প্রতি ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। কারণ তারা একাত্তরের রণাঙ্গনের অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সময়ের সাহসী সন্তান এম.এ মোঈদ ফারুককে এ উপজেলার কান্ডারী বানাতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমি মনে করি উপজেলাবাসী এ সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। এজন্য উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণকে আমার ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। আসুন আমরা সবাই মিলে আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে জুড়ীকে একটি বাসযোগ্য শান্তিপূর্ন উপজেলা হিসেবে তৈরী করি। তাছাড়া মজলুমের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করে জুড়ী উপজেলাকে আইনের শাসনের একটি মডেল ও ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে সারা দেশে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করি। 

No comments: