জুড়ীকে একটি বাসযোগ্য শান্তিপূর্ন উপজেলা গড়তে চান এম.এ মোঈদ ফারুক

সাইফুল ইসলাম সুমনঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক। তিনি উপজেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মুমীত আসুকের ছোট ভাই। একাত্তরের রণাঙ্গনের অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সময়ের সাহসী সন্তান, হল্যান্ড আওয়ামীলীগের প্রেসিডেন্ট, জুড়ী তৈয়বুননেছা খানম সরকারি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এম.এ মোঈদ ফারুক দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশ মাতৃকার টানে এবার নিজ উপজেলাবাসীর সেবা করার মানষে এবং জুড়ী উপজেলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার নিয়ে আনারস প্রতিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের সাপোর্ট চাইছেন। তার মহান এই লক্ষ্যকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপজেলার প্রতিটি গ্রামেই স্ব-উদ্যোগে জেগে উঠছে তরুন সমাজ-যুব সমাজ। এমনকি আবাল বৃদ্ধ বনিতার সংমিশ্রণে পাড়া মহল্লায় আনারসের পক্ষে এক গণ-জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোট প্রার্থনায় মানুষের ঢল নামছে। পথ সভা, উঠান বৈঠক, ও জনসভাগুলোতে মানুষের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া প্রত্যক্ষ করে মনে হচ্ছে তিনি যেন এলাকাবাসীর সমস্যার সমাধান করতেই আবির্ভূত হয়েছেন। এতকাল যেন জুড়ীবাসী এমনই একজন নেতার অপেক্ষায় ছিলেন। মানুষের মনের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে নানান অঙ্গীকারে আবদ্ধ হচ্ছেন তিনি। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক জুড়ীর সকল ভাঙ্গাচোরা রাস্তার সংস্কার এবং মজলুমের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করে জুড়ী উপজেলাকে আইনের শাসনের একটি মডেল ও ডিজিটাল উপজেলা করতে চান। চা-শ্রমীকের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের বাসযোগ্য একটি শান্তিময় উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান জুড়ীকে। জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল গফুর জানান, জুড়ী উপজেলার প্রকৃত অভিভাবক প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সকল প্রার্থীদের মধ্যে এম.এ মোঈদ ফারুকের বিকল্প নেই। সাগরনাল ইউনিয়নের বাসিন্দা আতিকুর রহমান জানান, এই উপজেলার জরাজীর্ণ রাস্তা-ঘাট তথা ব্রীজ-কালভার্ট নির্মান ও সংস্কার করতে হলে এম.এ মোঈদ ফারুকের প্রয়োজন। জায়ফরনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান জানান, এই উপজেলায় আইনের শাসন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় একমাত্র এম.এ মোঈদ ফারুকই শেষ ভরসা। পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা নাছির আহমদ জানান, আমাদের জুড়ী উপজেলার শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হলে মরহুম এম.এ মুমীত আসুক চেয়ারম্যানের মত ভূমিকা রাখতে হবে। আর তা একমাত্র এম.এ মোঈদ ফারুককে দিয়েই সম্ভব। পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা নির্মল গোয়ালা জানান, আমাদের চা-শ্রমীকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়াত নেতা আসুক সাহেবের মত তার ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক আমাদের জন্য কাজ করে যাবেন বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিনা বেগম জানান, জুড়ীতে পরিবার কেন্দ্রিক ঝামেলাই বেশি হয়। এসব ঝামেলায় পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা হয় অসহায়। এসব অসহায় নারীদের ন্যায় বিচার পাবার আকুতি দূর করতে পারবেন এম.এ মোঈদ ফারুক। আর এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আগামী ১৮ মার্চ উপজেলা নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সমর্থনে বিজয়ের মালা ছিনিয়ে আনবে আনারস মার্কার প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক এমনটাই প্রত্যাশা তাদের। একপ্রতিক্রিয়ায় ফারুক বলেন, আমার প্রবাস জীবনটা ছিলো আরাম আয়েশে কাটা এক রুটিনে আবদ্ধ জীবন। প্রবাসে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-মিনিস্টারসহ সরকারি আমলা অনেকের সাথেই পরিচয় এবং ঘনিষ্টতা রয়েছে। আমার উপজেলায় কোন উন্নয়ন বরাদ্ধ লাল ফিতায় আটকে থাকবেনা। সরকার বাহাদুর যা বরাদ্ধ দিবেন, যা উন্নয়ন করতে চাইবেন, তাই হবে। দেশ স্বাধীন করেছি জীবন বাজি রেখে। এখন দেশ গড়বো নিজের মেধা দিয়ে। উপজেলার বাসিন্দারা যদি আমার যোগ্যতা ও দক্ষতা, ন্যায়-নিষ্টা ও সততার পরীক্ষা নিতে চান, তবে একবার আমাকে ভোট দিন। সুযোগ পেলে আমি আপনাদের এবং আপনাদের সন্তানদের অনাগত মানব সমাজের জন্য একটি বাসযোগ্য শান্তিপূর্ন উপজেলা গড়তে চাই। যেখানে থাকবেনা কোন স্বার্থান্বেষী মহলের প্রহসনমূলক বিচারের দৃষ্টান্ত। সমাজের গণ্যমান্য নিঃস্বার্থ মানুষদের নিয়ে পাড়ায় মহল্লায় ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে। তাছাড়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমার পারিবারিক ঐতিহ্য। এটা আমাদের মায়ের শিক্ষা। মা শিখাতেন মানুষের সেবা করলে সবচেয় বড় ইবাদত হয়। তাই মায়ের নাম স্মরণে আমরা জুড়ীর সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠা করেছি। এর সুফল পাচ্ছে জুড়ীর সর্বস্তরের নাগরিক। জুড়ী উপজেলাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমার ভাই আসুক চেয়ারম্যান সাহেবের মৃত্যুর পর জুড়ী উপজেলাটি অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। আমাদের এই উপজেলায় এখনও অনেক অবকাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি পূরণে সকলের আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতা চান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ মোঈদ ফারুক।

No comments: