ইউরোপ প্রবাসী জুড়ীর কৃতি সন্তান সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারঃ

হারিস মোহাম্মদঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবী, কবি-সাহিত্যিক, শিক্ষানুরাগী, ফ্রান্স মেট্রহুস যুবকল্যাণ পরিষদের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে কিছু কু-চক্রিমহল মানহানিকর মিথ্যা নিউজ প্রকাশ করায় এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউরোপের এই প্রবাসী। সুলতান আহমদ ২০০৭ইং সালে ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিকেল সাইন্স নিয়ে  মাস্টার্স শেষ  করার পর উচ্চতর ডিগ্রী লাভের জন্য ২০০৭ইং সালে ব্যারিস্টারী পড়তে লন্ডনে পাড়ি জমান। সেই থেকে আজ অব্দি তিনি ফ্যামেলি সহ ইউরোপে আছেন। ছাত্র রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যার মিছিলে একসময় ঢাকার রাজপথ কাঁপত সেই প্রচার বিমুখ পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সুলতান আহমদ অনেকটা ক্ষোবের সথে জানান যে আজকের প্রজন্ম এ ধরণের অপ্রীতিকর বাজে মন্তব্য করার পূর্বে তার বা তার পরিবারের সম্পর্কে ভালো ভাবে খুজ খবর নেয়া উচিত ছিলো।   উনার বড় ভাই বিশিষ্ট সমাজসেবী এক সময়কার সফল আগর-আতর ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল মোক্তাদীর (বদই)যিনি ইন্ডিয়াতে পড়ালেখা করেন, বর্তমানে পরিবার নিয়ে আমেরিকাতে থাকেন। সৌদি আরবে উনাদের অনেক গুলো পারফিউমের দোকান এখনও বিদ্যমান আছে যা আত্মীয়রা পরিচালনা করতেছেন। উনার মেজ ভাই লন্ডন ফেরত জুড়ী উপজেলার বিশিষ্ট আগর-আতর ব্যবসায়ী জনাব আব্দুল মুকিত (গেন্দু) গর্বের সাথে জুড়ী উপজেলায় ব্যবসা করে যাচ্ছেন। ছোট ভাই  মোঃ জামিল আহমদ  ২নং পূর্ব জুড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সফল সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশে মাস্টার্স শেষ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য ২০০৯ইং সালে লন্ডনে পাড়ি জমান। মোঃ জামিলের লন্ডন যাত্রার বিদায়ী অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের বন ও পরিবেশ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী জনাব শাহাব উদ্দিন তৎকালীন জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব এম এ মুমিত আসুক সহ আরও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।বর্তমানে জামিল আহমদও পরিবার নিয়ে আমেরিকাতে বসবাস করেন। ২০০৩ ইং সালে মোহাম্মদ সুলতান আহমদের প্রথম উপন্যাস "স্বর্গীয় ভূবন"  প্রকাশিত হয়। এছাড়াও আরও অনেক কবিতা, গল্প, উপন্যাস বিভিন্ন  সময় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিছুদিন আগে উনার “সাংবাদিকতা“ কবিতাটিও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ভাইরাল হয়। তাছাড়া ইউরোপের একজন সফল সিটিজেন হিসেবে উনার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ফেইসবুকের কিছু ভূয়া আইডি থেকে উনার এবং উনার পরিবারের নামে মিথ্যা অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে। যার কারণে সুলতান আহমদ  কঠোর হুশিয়ারী দিয়ে বলেন তার এই মানহানির জন্য তিনি আইনানুগ ব্যবস্তা নিবেন। তিনি  চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন  আজ পর্যন্ত উনার লেখায় কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের ব্যাপারে কোন বাজে মন্তব্য পাওয়া যায় নাই আর কেউ তা প্রমাণও করতে পারবেনা। তবে যা-ই রটানো হচ্ছে এগুলো সব ভূয়া ও এডিটিং করা এবং অন্যের সেয়ার করা স্ট্যাটাস ফেইসবুকে দেয়া হচ্ছে। এগুলো আপনারা কেউ বিশ্বাস করবেন না।১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধাদের সহযোগীতা করার অপরাধে  পাক হানাদার বাহিনী উনার বাবাকে প্রাণে হত্যা করার জন্য হুমকি দেয় এবং ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার জন্যও হুমকি দিয়েছিল ।তখন উনার বাব উনার মা এবং ভাই বোনদেরকে পাতিলাসাঙ্গন উনার ফুফুর বাড়িতে রেখে ইন্ডিয়ার তালতলা হয়ে ধর্মনগর এবং করিমগঞ্জে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধাদের অবগত করে দেশে ফেরার ২ দিন পরই দেশ স্বাধীন হয়।সেই সময়কার মামলার নতি এখনও উনাদের ঘরে আছে।তাছাড়া উনার বাবা ১৯৭১ ইং সালে অনেক অসহায় পরিবারকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করে ইন্ডিয়াতে নিরাপদে পৌছিয়ে দেন।পরবর্তিতে উনার বাবা ইচ্ছে করলে মুক্তিযুদ্ধা সনদ নিতে পারতেন কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বিকার জানান। এরকম একটি ঐতিহ্যবাহী ফ্যামেলির বিরুদ্ধে যারা ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে মিথ্যা বানোয়াট অপ-প্রচার চালিয়ে প্রতিনিয়ত মানহানি করে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপশি এসমস্ত তথ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সুলতান আহমদ।


No comments: