এক স্বামী নিয়ে দুই স্ত্রী ও প্রেমিকার টানাটানি

ধামরাইয়ে সুদর্শন এক পুলিশ সদস্যকে নিয়ে দুই স্ত্রী ও এক প্রেমিকার টানাটানি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। দুই স্ত্রীর মধ্যে একজন নারী পুলিশ সদস্য। আর প্রেমিকা হলো ওই নারী পুলিশ সদস্যের বান্ধবী। তবে বান্ধবী হলে বিয়ে ও প্রেমের কথা গোপন ছিল তাদের মাঝে। সম্প্রতি প্রেমিক হিসেবে নিজের স্বামীকে দেখালে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায়। এখন তারা তিনজনই অধিকার নিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে আছে।
এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আর হতবাক হয়েছে পুলিশ সদস্যের পরিবার।
ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের লেহাজ উদ্দিনের ছেলে পুলিশ সদস্য সেন্টু বছর আড়াই আগে পুলিশে চাকরি নেয়। ওই সময় চাকরি নিতে ঘুষের টাকা জোগাড় করতে ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের বাথুলি গ্রামের সবেদ আলীর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে হাজেরাকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিয়ে করে। এরপর চাকরির প্রশিক্ষণ শেষে তিনি পিরোজপুর পুলিশ লাইনে যোগ দেন। সেখানে নারী পুলিশ কনস্টেবল মালার দিকে নজর পড়ে তার। বিয়ে ও নিজের পরিচয় গোপন রেখে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মালাকে ৮ লাখ টাকা কাবিন মূলে বিয়ে করে। এতে দুই স্ত্রী নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল সেন্টুর দিন। কর্মস্থলের পাশেই পরিচয় হয় কাজলী ঘোষ নামে এক তরুণীর সঙ্গে। তার সঙ্গেও চুটিয়ে প্রেম শুরু করে সে। কিন্তু নারী পুলিশ সদস্যের বান্ধবী হলেও বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেনি প্রেমিকা। হঠাৎ করে গত রোববার কর্মস্থল থেকে ছুটিতে বাড়ি যায় সেন্টু। এদিকে প্রেমিকা কাজলী ঘোষ কৌশলে নারী পুলিশ সদস্য বান্ধবীকে নিয়ে পিরোজপুর থেকে ধামরাইয়ে আসে সেন্টুর বাড়িতে। তারপর প্রেমিক হিসেবে নারী পুলিশ সদস্যের স্বামীকে দেখালে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায় এবং দুই স্ত্রী ও প্রেমিকা কান্না শুরু করে। উপায় না পেয়ে ঘরে রাখা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় ওই প্রতারক পুলিশ সদস্য সেন্টু। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
গতকাল সকালে ঘটনাস্থলে গেলে সেন্টুর প্রথম স্ত্রী হাজেরা জানান, আমি সতীন দেখে বিয়ে করিনি। তাই আমি সতীনের সঙ্গে সংসার করবো না। আমি শুধু সেন্টুকে চাই।
মোবাইল ফোনে পুলিশ সদস্য সেন্টু জানান, ভুল করে ফেলেছি। এখন কি করবো। আমি দুই স্ত্রী নিয়েই সংসার করতে চাই। 

No comments: