জুড়ীতে ঘুষের টাকা দিতে অপারগতায় ঋৃণ পায়নি গ্রাহক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কামিনীগঞ্জ বাজারে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক জুড়ী শাখার এস.এম.ই ঋৃণ প্রকল্পের আওতায় এক গ্রাহকের নিকট মোটা অংকের ঘুষ দাবী করলে গ্রাহক ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঋৃণ প্রদান করা হয়নি তাকে। এনিয়ে বাক-বিতন্ডার একপর্যায়ে গ্রাহকের ফাইল ফেরত দেয়া হয়।

সোমবার (২০ মে) জুড়ী শহরের   কামিনীগঞ্জ বাজারের মনির ট্রেডার্স-২ এর মালিক মোঃ সোহেল আহমেদ সাংবাদিকদের নিকট জানান, তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনির ট্রেডার্স-২ এর অনুকুলে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক জুড়ী শাখার মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচী ‘প্রগতি’র আওতায় ২০১৬ সালের ১৯ অক্টোবর প্রথম বার ৪ লাখ টাকা ঋৃণ গ্রহন করেন। এই ঋৃণ যথারিতি পরিশোধ পূর্বক ২০১৭ সালে ২১ সেপ্টেম্বর পুনরায় ৬ লাখ টাকা ঋৃণ গ্রহন করেন। সোহেল আরো জানান, তার ঋৃণের কিস্তি পরিশোধ বাকি থাকতেই শাখা ব্যবস্থাপক তাকে ১০ লাখ টাকা ঋৃণ প্রস্তাব করেন এবং টাকা পেতে হলে তাকে মেয়াদ উত্তির্নের পূর্বেই  সমুদয় কিস্তি পরিশোধ করতে বলেন। 

পুরো বিষয়টি তদারকির দায়িত্বে থাকা ফিল্ড কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ও শাখা ব্যবস্থাপক সত্যজিৎ চৌধুরীর পরামর্শে মেয়াদ উত্তির্ণের ৪ মাস পূর্বেই গত ১০ মে একই দিনে ২ টি রশিদে ৪ কিস্তির টাকা এক সাথে জমা নেয়া হয়। তারপর কাগজপত্রাদি ঠিকঠাক করতে কিছু নগদ অর্থ নেয়া হয়। অতঃপর ১০ লাখ টাকার বিপরীতে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন ওই দুই কর্মকর্তা। কিন্তু সোহেল ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সোহেলের সাথে তারা বিভিন্ন অজুহাত তুলে ধরতে থাকে। 

এবিষয়ে ব্র্যাক জুড়ী শাখা ব্যবস্থাপক সত্যজিৎ চৌধুরী ঘুষ দাবীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ব্র্যাক ব্যাংক এবং এনজিও সংস্থা ব্র্যাক একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। মনির ট্রেডার্সের মালিক সোহেল আহমদ আমাদের কাছ থেকে ঋৃণ নিয়ে যথানিয়মে পরিশোধ করেছেন আবার ব্র্যাক ব্যাংক কুলাউড়া শাখা থেকেও ১৫ লাখ টাকা ঋৃণ গ্রহন করেছেন। ওই ঋৃণের প্রায় ৭ লাখ টাকা খেলাপি থাকায় এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঋৃণ প্রদান করা হয়নি।

No comments: