ফুলতলায় রাস্তার কাজে বাধা প্রদান বাগান ব্যবস্থাপকের

জুড়ী টাইমস সংবাদঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নে এলজিএসপির একটি কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে ফুলতলা চা-বাগানের ব্যবস্থাপক সুহেল আহমদ ও তার কর্মচারী কানো চক্রবর্তীসহ একটি চক্র। এ বিষয়ে সোমবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ। 

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলজিএসপি প্রকল্প (২০১৭-১৮ অর্থ বছর) থেকে ফুলতলা চা-বাগানের চুনা বাটা হতে আদাবাড়ী রাস্তা পর্যন্ত ইট সলিং এর কাজ শুরু হয়। কাজ চলাকালীন সময়ে ফুলতলা চা-বাগানের ব্যবস্থাপক সুহেল আহমদের নেতৃত্বে একদল চা শ্রমীক ওই কাজে বাধা দান করে তড়িগড়ি করে বৃক্ষরোপন করে দেয় এবং ওই রাস্তায় কোন প্রকার যাতায়াত না করার জন্য বাঁশের বেড়া দিয়ে পুরো রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে রাস্তাটির কাজ নিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। 

এ বিষয়ে ফুলতলা চা-বাগান পঁঞ্চায়েত সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য কাজল বাউরী বলেন, রাস্তাটির প্রকল্প শুরুর প্রাক্কালে বাগান ব্যবস্থাপকের সাথে আমরা পরামর্শ করেছি। এমনকি কাজের উদ্বোধনী দিনে তাঁকে দাওয়াত করা হয়েছিলো। হঠাৎ করে তিনি রাস্তার কাজে বাধা দানের কারণ আমাদের জানা নেই। 

এ বিষয়ে ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ বলেন, অনিল পুঞ্জি, হ্যাব পুঞ্জি, নুরপুর ও একাধিক বস্তি এলাকার জনসাধারন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে এসব মানুষের যাতায়াত সুবিধা বিবেচনান্তে কয়েকটি প্রকল্প একত্রিত করে এ রাস্তার কাজ শুরু করেছি। কিন্তু এ রাস্তাটির অর্ধেক কাজ করার পর ফুলতলা চা-বাগান ব্যবস্থাপক কিছু শ্রমীক দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে গাছের চারা রুপণ করে দেয়। বিষয়টি খুবই রহস্যজনক। 

এ বিষয়ে ফুলতলা চা-বাগান ব্যবস্থাপক সুহেল আহমদ বলেন, এ রাস্তাটি চা-বাগানের নিজস্ব রাস্তা। এ রাস্তা দিয়ে কেবল সেকশনে যাতায়াত করা হয়। ইট সলিং করা হলে অবাধে যানবাহন ও জনচলাচল বৃদ্ধি পাবে। যার ফলে এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি। 

No comments: