উন্নয়নে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি

মো: শাহ আলম: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি একজন রুচিশীল রাজনীতিবিদ। জুড়ী ও বড়লেখার সাংসদ একজন প্রজ্ঞাবান ব্যাক্তিত্ব। তিনি কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী নেতা। তার মতো নেতা সৃষ্টি হলে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে। দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক জীবনে একজন এমপির বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এ দুই উপজেলায় প্রথম বলেও মন্তব্য করেছেন জুড়ী ও বড়লেখার বিশিষ্ট জনেরা।

আজ এমন একজন মানুষের কথা আমি তুলে ধরতে চাই, যিনি সত্যিকার অর্থে দেশে দুইটি উপজেলাকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। তিনি জুড়ী ও বড়লোখা থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. শাহাব উদ্দিন বর্তমানে তিনি মহান জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় হুইপ এর দায়িত্ব পালন করছেন।
 
একজন এমপি এবং তাঁর এলাকার উন্নয়নের গল্প এদেশে প্রকৃত জনস্বার্থে জনসেবায় খুব কম লোকই আসে আজকাল। কখনও কখনও কেউ কেউ আসে স্বার্থের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে। আমরা অনেক ব্যক্তিকে দেখেছি কিংবা দেখছি যারা বাহবা কুড়ানোর জন্য নতুবা স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কিছু লোক–দেখানো কাজ করে থাকেন। ডানে–বামে চোখ রাখলেই এই ধরনের লোকের অভাব মিলবে না। আবার এমনও অনেক লোক আছেন যারা সরকারি–বেসরকারি স্বীকৃতির কথা মাথায়ও রাখেন না। তারা সমাজ তথা দেশের মানুষের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মানুষকে ভালো ও নিরাপদে রাখার অহর্নিশি চেষ্টা করেই তারা সুখ অনুভব করেন। কিছু পাওয়ার আশায় নয়, বরং তাদের সার্বক্ষণিক চিন্তা থাকে সাধারণ মানুষের জন্য ভালো কিছু করা।

তবে, এ ধরনের মানুষের সংখ্যা দেশে ক্রমেই কমছে বলা চলে। অধিকাংশ শ্রেণী–পেশার মানুষের মগজে নিজের স্বার্থ এবং আখের গোছানোই যেখানে দিনরাত কাজ করে বেশি, সেখানে ভালো কাজ করা মানুষের সংখ্যা হ্রাস পাওয়াটা অনেকটা স্বাভাবিক। আজকের স্বার্থপর দুনিয়ায় মানুষের মতো মানুষের দেখা মেলে কোটিতে গোটিক।

সকাল হতে হুইপ শাহাব উদ্দিন (এমপি) তাঁর দৈনন্দিন কাজকর্ম শুরু করেন। চলে রাত পর্যন্ত। নিয়মানুবর্তিতা আর কাজে বিশ্বাস করেন তিনি। ভাবেন, কীভাবে জুড়ী ও বড়লেখার মানুষকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া যায়, সে কথা। সম্ভবত কোনো ধরনের স্বীকৃতির আশায় তিনি এসব কাজ করেন না। মানুষের কল্যাণের জন্যই তিনি অবিরাম কাজ করে চলেছেন।

যে লোক কাজে বিশ্বাসী তার আবার এসবে কি আসে যায়! সম্ভবত: তাই জুড়ী ও বড়লোখার মানুষের কাছে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি হয়ে উঠেছেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা।

দেশের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অতীত ও বর্তমানে তুলনা মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে জুড়ী ও বড়লেখা সংসদীয় এলাকায় দ্বিগুণ। পরিচ্ছন্ন উপজেলায় এগিয়ে রয়েছে জুড়ী ও বড়লেখা। প্রকৃতিক সৌন্দর্য্যে জুড়ী ও বড়লেখা অগ্রগামী উপজেলা। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্য যে কোন উপজেলার চেয়ে ভালো। রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত। পরিকল্পিত ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এই দুই উপজেলার উন্নয়ন।
জুড়ী ও বড়লেখার পথে চললে মন জুড়িয়ে যায়। নির্মাণ করা হয়েছে  (পাকা রাস্তা, ব্রীজ, র্কালবাট ও স্কুল-কলেজ-মাদ্রসা-হসপিটেল-রেষ্ট হাউস সহ ইউনিয়ন পরিষদের নতুন নতুন ভবন) সরকারের উন্নয়নের মহা সড়কে আরো চলছে নতুন নতুন পরিকল্পনায় বড় বড় প্রজেক্টের প্রকল্প। বর্তমান সরকারের ৮ বছর শাসনামলে দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি বিদ্যুৎ সহ সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে। বিগত ৩৫ বছরে কোন সরকার তা করতে পারেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার গৃহীত সকল কর্মসূচী বাস্তবায়ন ও ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছেন  হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপি।

আওয়ামীলীগ দেশ, মানবতা ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে আওয়ামীলীগের বিকল্প নেই এবং জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলা কে এগিয়ে নিতে স্থানীয় সাংসদ হুইপ শাহাব উদ্দিনের বিকল্প নেই। আওয়ামীলীগের ক্ষমতায়ন মানে দেশের উন্নয়ন; তাই দীর্ঘ মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তা না-হলে উন্নয়ন ব্যাহত হবে। আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার সাধারণ মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সকলের সহযোগিতা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আসুন আমরা সবাই
হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপির পাশে থেকে দেশের উন্নয়নে অবধান রাখি।

No comments: