আমরা ত্রাণ চাইনা, পরিত্রান চাই !

সাইফুল ইসলাম সুমন: মৌলভীবাজার জেলায় হাকালুকি হাওরের বানভাসি জনসাধারনের উদ্যোগে আজ ৯ জুলাই রবিবার জুড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা চত্তরে একটি "মানববন্ধন" করা হয়। হাকালুকি হাওরের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রয়োজনীয় কর্যক্রমের দাবী সমূহ উল্লেখ করে তারা এই মানববন্ধন করেন।   

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন সুনাই ও জুড়ী নদীর সোংযোগস্থল থেকে জুড়ী নদীটি কুশিয়ারা নদী পর্যন্ত পুনঃ খনন। বুরিকিয়ারী বাঁধ অপসারন সহ অবৈধ নদী দখলকারীদের উচ্ছেদ করন। তাহলে পানি বাঁধাগ্রস্থ হবেনা। ফলে হাকালুকির পানি দ্রুত নিষ্কাসন সম্ভব হবে। অকাল বন্যা বা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে হাওর উপকূলবাসী। জকিগঞ্জ সীমান্তবর্তী ভারত থেকে নেমে আসা বারাক নদীর পানি শুধু সুরমা নদী দিয়ে প্রবাহীত করন। বারাক নদীর মোহনায় কুশিয়ারা নদীর মোখে সুইচগেট নির্মাণ সহ সুরমা নদী পুনঃ খনন। তাহলে পানাই, সুনাই ও জুড়ী নদীর পানি কুশিয়ারা নদীর ধারন ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। ফলে হাকালুকি হাওরের পানি দ্রুত নিষ্কাসন হবে। অকাল বন্যায় আর তলিয়ে যাবেনা দরিদ্র কৃষকের সোনালী ফসল। উন্নয়নের মাত্রা বাড়বে দ্বি'গুন থেকে বহু গুনে। 
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন বন্যা কবলিত হাকালুকি হাওর উপকূলীয়দের প্রতি আপনি সুদৃষ্টিতে তাকান। হাকালুকির পানি দ্রুত নিষ্কাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা গ্রহন করুন। মনুষ্য রচিত এই কৃত্রিম জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিয়ে নিশ্চিত করুন আমাদের তথা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। তবেই গঠন হবে একটি পরিপূর্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ। পুরন হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন। পূরন হবে সর্বস্তরের জনগণের প্রত্যাশা।

সভায় বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি নাহিদ আহমদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক রিংকু রঞ্জন দাস, হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ইমরুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখরুল ইসলাম, সম্ভাবনার বেলাগাওঁ যুব ও সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি আফজাল হোসেন, আব্দুল হান্নান, ইমরান, মামুন,  কয়েছ প্রমূখ।

No comments: