মাধবকুন্ডে দুর্যোগ : হতাশ পর্যটক ৪ দিন থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ফটক থেকে ফিরে যাচ্ছেন

আব্দুর রব: দেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক জলপ্রপাত ও দ্বিতীয় বৃহত্তম ইকোপার্ক মাধবকুন্ডে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির ৪ দিন অতিবাহিত হলো শনিবার। এ দিনও দুরদুরান্ত থেকে আগত অনেক প্রকৃতিপ্রেমী হতাশ হয়ে ইকোপার্কের প্রধান ফটক থেকে ফিরে গেছেন। বনবিভাগ নিচের দিকে দেবে মাটি সরে যাওয়া বিধ্বস্ত রাস্তায় বালির বস্তা ফেলে চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত সপ্তাহের ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে জলপ্রপাতের রাস্তায় ফাটল, সিড়ির নিচের মাটি সওে যাওয়া, ভুমি ধস ও দেবে যাওয়ায় মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন বুধবার ২১ জুন থেকে মাধবকুন্ডে  পর্যটক প্রবেশ বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা মাধবকু-। ঈদে লাখো পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে ইকোপার্কের আশপাশ এলাকা। এবার দুর্যোগে মাধবকু- বিধস্ত হয়ে পড়ায় ব্যবসা বাণিজ্যে মারাত্মাক ধস নামার আশংকা রয়েছে।

সরেজমিনে ২৪ জুন শনিবার বিকেলে মাধবকুন্ডের দুর্যোগ : হতাশ পর্যটক ৪ দিন থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ফটক থেকে ফিরে যাচ্ছেন অভ্যন্তরীণ রাস্তার ফাটল, ভুমি ধস ও নিচের দিকে দেবে যাওয়া অংশে মেরামতের কাজ চলতে দেখা গেছে। বনবিভাগ বালুর বস্তা দিয়ে মাটি সরে যাওয়া অংশে ঢুকিয়ে মেরামতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এদিকে মাধবকু- ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠলেও পর্যটক আগমন থেমে নেই। চ্ট্রগ্রাম থেকে বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাধবকু- জলপ্রপাতে যান ব্যবসায়ী খোকন বড়–য়া। নিরাপত্তা কর্মীরা ইকোপর্কের গেইটেই আটকে দেয়ায় প্রাকৃতিক জলপ্রপাত মাধবকু-ের কাছে এসেও না দেখে ফিরে যান। বেড়াতে আসা কক্সবাজারের রামু উপজেলার ব্যাংকার কপিল বড়–য়া জানান, অনেক কষ্ট করে মাধবকু- এসে শেষ পর্যন্ত না দেখেই ফিরে যাচ্ছেন। ছবি দেখেই তুষ্ট থাকতে হবে।

বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, পর্যটকের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই উপজেলা প্রশাসনের পরামর্শক্রমে গত ২২ জুন থেকে সম্পুর্ণরূপে মাধবকুন্ডে দুর্যোগ : হতাশ পর্যটক ৪ দিন থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ফটক থেকে ফিরে যাচ্ছেনপর্যটক প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রাস্তার মেরামত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। তবে ঈদের আগে সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না।

No comments: