হু’র পুরস্কার পেলেন সাবের হোসেন চৌধুরী

জুড়ী টাইমস সংবাদ: তামাকমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ঢাকা-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। ২০১৭ সালের তামাক নিরোধ দিবসে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পাঁচজন কৃতী ব্যক্তিকে এ বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করছে বিশ^ সংস্থাটি। তামাকমুক্ত বিশ^ গড়তে দুনিয়াজুড়ে যারা কাজ করে চলেছেন তাদের স্বীকৃতি দিতে বিশ্ব ব্যাপী হু’র ছয়টি অঞ্চলে প্রতি বছর বিরলপ্রজ কয়েকজন ব্যক্তি অথবা সংগঠনকে মর্যাদাকর এ পুরস্কার দিয়ে থাকে বিশ্ব সংস্থাটি।

পুরস্কার প্রদানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে হু-সিয়ারোর প্রতিবেদনে বলা হয়, তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সাবের হোসেন চৌধুরীর সক্রিয় এবং নিরলস অবদানের স্বীকৃতি এ পুরস্কার। ২০১৫ সালে দেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছেন তিনি। পাশাপাশি, তামাকের ওপর কর বাড়ানোর পক্ষেও সরব থেকেছেন সবসময়।

একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের নির্বাচনী এলাকাতেও তামাক নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনে যুব সম্প্রদায় এবং কম্যুনিটি ভিত্তিক সুশীল সামাজিক আন্দোলনে বরাবর নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন তিনি। আইপিইউ সভাপতি হিসেবে তামাক নিরোধের আলোচনাটিকে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪০ সালের ভেতর তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথেই ২০১৫ সালে প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে তামাক নিরোধের প্রসঙ্গটি অন্তর্ভুক্ত করানোতে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এটি করার ফলে তামাক নিরোধ কার্যক্রমে সরকারের বহুমাত্রিক অংশগ্রহণের পথ আরো সুগম হয়েছে।

এদিকে মর্যাদাকর এ পুরস্কার প্রাপ্তির ঘোষণা শোনার পর এক প্রতিক্রিয়ায় সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়; আমি মনে করি বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে যারা নিরলস কাজ করে চলেছেন তাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসের অনন্য স্বীকৃতি এ পুরস্কার। বাংলাদেশকে সত্যিকার তামাকমুক্ত করতে হলে এখনো অনেকটা পথ হাঁটতে হবে আমাদের। তবে লক্ষ্যের প্রতি নিবদ্ধ থাকলে, অঙ্গীকার এবং অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে অবশ্যই আমরা তা অর্জন করতে পারব।

এ বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে আরো যারা হু’র এ পুরস্কারটি পেলেন তারা হলেন থাইল্যান্ডের ড. সুপ্রেদা আদুলিয়ানন, ভুটানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী থানডিন ওয়াংচুক, শ্রীলঙ্কার জাতীয় তামাক ও অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং মালদ্বীপের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল্লাহ নাজিম ইব্রাহিম।

No comments: