বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেই গাইনি কন্সালটেন্ডের ডেপুটেশন!

আবদুর রব: বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২২ দিন পূর্বে গাইনি কন্সালটেন্ড হিসেবে ডা. নুসরাত আরা ইউনুছ বদলি হলেও দীর্ঘদিন তিনি যোগদান করেননি। অবশেষে সোমবার তিনি এ পদে যোগদানের সাথেই ওয়ার্কিং ডেপুটেশন নিয়ে চলে গেলেন ঢাকার মোগদা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে। বড়লেখাবাসী সেবা বঞ্চিত হলেও মাস শেষে এ উপজেলার মানুষের মাথা কেটেই পরিশোধ করা হবে তার বেতন ভাতা !

জানা গেছে, বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপেক্সে প্রায় ৩ বছর ধরে গাইনি কন্সালটেন্ডের পদ শূন্য থাকায় উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার প্রায় আড়াই লাখ মানুষ চিকিৎসা বঞ্চিত। ১ বছর আগে এপদে ডা. নাছরিন সুলতানা যোগদান করে শুধু পদই আকড়ে[ রাখেন, তিনি সাধারণ রোগির কোনো উপকারে আসেননি। মাস শেষে হাজিরা খাতায় দস্তখত আর বেতন তুলতেই কর্মস্থলে আসতেন। গত ২২ দিন পূর্বে গাইনি কন্সালটেন্ড হিসেবে ডা. নুসরাত আরা ইউনুছকে এ হাসপাতালে বদলির খবরে ভুক্তভোগিদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিলেও তিনি যোগদান না করায় তা অস্বস্তিতে পরিণত হয়। অবশেষে গত সোমবার তিনি ঢাকার মোগদা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে ওয়ার্কিং ডেপুটেশনের অর্ডার কপি হাতে নিয়েই বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি রিলিজ লেটার গ্রহণ করে ফিরে যান।

সুত্র জানায়, ঢাকার মোগদা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে ডিউটি করলেও গাইনি কন্সালটেন্ড ডা. নুসরাত আরা ইউনুছ মাস শেষে বড়লেখা একাউন্টস অফিস থেকে নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করবেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ত্র“টিপূর্ণ বদলি আদেশের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। এ উপজেলার মানুষের মাথা কেটে বেতন দেয়া হলেও এখানকার লোকজন চিকিৎিসা বঞ্চিত থেকেই যাচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহম্মদ হোসেন জানান, গাইনি কন্সালটেন্ড হিসেবে ডা. নুসরাত আরা ইউনুছ গত সোমবার এখানে যোগদান করেই ডেপুটেশন নিয়ে মোগদা হাসপাতালে চলে গেছেন। তবে প্রতিমাসে বেতনভাতা তুলতে তিনি এখানে আসবেন।

No comments: