বড়লেখায় উচ্ছেদ আতংকে ২২ ব্যবসায়ী দেড় কোটি টাকার সরকারী ভুমি জবরদখলের পায়তারা

আবদুর রব: বড়লেখার সীমান্তবর্তী শাহবাজপুর বাজারের ২২ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উচ্ছেদ আতংকে। জেলা প্রশাসকের রেকর্ডভুক্ত ভুমি পেরীপেরীর আওতায় একসনা বন্দোবস্ত নিয়ে দোকান কোঠা নির্মাণ করে এক যুগের বেশি সময় ধরে তারা ব্যবসা চালাচ্ছেন। ভুয়া কাগজপত্র তৈরীর মাধ্যমে প্রভাবশালী একটি মহল প্রায় দেড় কোটি টাকার সরকারী এ ভু-সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি তাদের অপতৎপরতায় ব্যবসায়ীরা চরম উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় পড়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার খাস রেকর্ডীয় শাহবাজপুর বাজারের কেন্দ্রবিন্দুর ২৯ শতাংশ সরকারী ভুমিতে ২০০৩ সালে জেলা প্রশাসন পেরীপেরীর আওতায় বাণিজ্যিক দোকান কোঠা একসনা বন্দোবস্তের (সম্প্রসারণযোগ্য উদ্যোগ নেয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব পরিশোধের মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মানিক মিয়া, আজির উদ্দিন, স্বপন মিয়া, আব্দুর রউফ, ডা. জাহাঙ্গির আলম, আব্দুল লতিফ, আব্দুল জলিল, আইয়ব আলী, তওয়াহিদ আলী, সুরুজ আলী, নজরুল ইসলাম, শফিক উদ্দিন, আব্দুল বারি, আপ্তাব আলী, অতুল নাথ, আব্দুল খালিক প্রমূখ ২০০৪ সালের ২৬ জুলাই বন্দোবস্তকৃত ভুমিতে দোকান কোঠা তৈরী করে ব্যবসা চালিয়ে যান।

সরেজমিনে গেলে বন্দোবস্ত গ্রহিতা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মানিক মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা বুরহান উদ্দিন, সফিক মিয়া প্রমূখ জানান, সরকারী রাজস্ব প্রদান করে দেড় যুগ ধরে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ’৫৬ সালের জরিপসহ তৎপরবর্তী জরিপে উক্ত ভুমি জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী একটি মহল বরাদ্দ প্রাপ্তির পর থেকেই প্রায় দেড় কোটি টাকার সরকারী এ ভুমি নিজেদের দাবী করে জবর দখলের চেষ্টা চালায়। সম্প্রতি তাদের অপতৎপরতায় লিজ গ্রহিতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উচ্ছেদ আতংক বিরাজ করছে।

সহকারী কমিশনার (ভুমি) সমীর বিশ্বাস জানান, দোকান কোঠা তৈরী করে ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্য ২২ ব্যবসায়ী সরকারী উক্ত ভুমি বরাদ্দ নিয়েছেন। এটা সরকারের ভুমি। জবর দখলের যেকোন অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

No comments: