জুড়ীতে যোগমায়া বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

সাইফুল ইসলাম সুমন: অন্ধকারের সে এক সময় ছিল, যখন বিপুলসংখ্যক কোমলমতি শিশু স্কুলে যাওয়ারই সুযোগ পেত না। অনেকে আবার স্কুলে গেলেও প্রাথমিক পর্যায় থেকে ঝরে পড়ত। পাবলিক পরীক্ষায় ছিল নকলের ছড়াছড়ি। ফল প্রকাশে যেমন দেরি হতো, আবার প্রকাশের পর দেখা যেত উল্লেখযোগ্যসংখক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য। স্কুলে যথাসময়ে পাঠ্যবই পেত না শিশু-কিশোররা। শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়ে অসংখ্য তরুণীকে বাল্য বিয়ের শিকার হয়ে নির্মম জীবন বেছে নিতে হতো। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর থেকে আমূল বদলে গেছে শিক্ষাক্ষেত্র। শিক্ষার আলোয় এখন আলোকিত পুরো বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্যের তালিকায় শীর্ষে নিঃসন্দেহে শিক্ষা। বিশ্বমানের শিক্ষাবিস্তারে অসামান্য সাফল্য দেখিয়েছে সরকার। 

এদিকে সরকারের পাশাপাশি শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বৃদ্ধি, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষাকে সবার দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া ও মূল্যবোধ বাড়ানোর জন্য মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কাজ করে যাচ্ছে যোগমায়া মেমোরিয়াল একাডেমি  প্রাথমিক বৃত্তি প্রকল্প। দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে শিক্ষাবিস্তারে কাজ করছে যোগমায়া বৃত্তি প্রকল্প।    

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ ডিসেম্বর শুক্রবার উপজেলার ৫ম শ্রেনীর ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭ তম যোগমায়া মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ২০১৬ইং। স্থানীয় নিরোদ বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মোট ১০০ মার্কের অনুষ্ঠিত মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। 

এক প্রতিক্রিয়ায় যোগমায়া বৃত্তি প্রকল্পের সদস্য সচিব শরদেন্দু দাস শেখু বলেন, আমরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে জুড়ী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষা খাতে আগামীতে আরো নতুন নতুন কর্মসূচী গ্রহন করবো। আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

No comments: