জেলা পরিষদ নির্বাচন, মৌলভীবাজারে চষে বেড়াচ্ছেন অর্ধশতাধিক প্রার্থী

বিশেষ প্রতিনিধি: চায়ের দেশের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজার। দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগানের অবস্থান এই জেলায়। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এই জেলা সাতটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত। জেলা পরিষদ নির্বাচনের এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। প্রার্থীরা যাচ্ছেন ভোটারদের দোয়ারে দোয়ারে। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, ইলেক্ট্ররাল পদ্ধতিতে গ্রহিত এই নির্বাচনে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরাই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন জেলা পরিষদের প্রশাসক, সদস্য এবং সংরক্ষিত সদস্যদের। সে হিসেবে মৌলভীবাজারে ৭ উপজেলা, ৬৭ ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভা মিলিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ৯৪৩ জন।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একজন, সদস্য পদে ১৫ টি ওয়ার্ডের ১৫জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৫জন নারী সদস্য নির্বাচিত হবেন। সব মিলিয়ে ২১টি পদের জন্য এই জেলার অর্ধশতাধিক প্রার্থী মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নিজেদের প্রার্থীতার কথা জানান দিয়ে যে যার মতো কৌশলে ভোটারদের মন জয় করতে চালাচ্ছেন ঘরোয়া বৈঠক।

এদিকে জেলা প্রশাসন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীতা না থাকলেও মাঠে সরব রয়েছেন প্রার্থীরা। শহরে নানা রঙের ডিজিটাল ব্যানার, ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জানান দিচ্ছেন তারা। এ ক্ষেত্রে যারা এগিয়ে রয়েছেন তারা হলেন-সাবেক ব্রিটিশ কাউন্সিলর ও যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এমএ রহিম শহিদ (সিআইপি), জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান। এছাড়া বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য এমএম শাহীন, জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মাহবুবুল আলম শামীম ও কাতার-বাংলাদেশ চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আহমেদ রিয়াজ এর নামও শুনা যাচ্ছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা পরিষদ আইন-২০০০, জেলা পরিষদ ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণ বিধিমালা-২০১৬ অনুযায়ী এবং একই আইনের সংশোধিত ৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মৌলভীবাজারের নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যদের তালিকা চূড়ান্ত করে ৫১৯ (৯৫) স্মারকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে কিছুদিন আগে। সীমানা ও নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য নির্ধারণের পর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্য (পুরুষ ও মহিলা) পদে প্রার্থীরা মাঠে নামছেন। দিন যতো ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের সংখ্যা ততো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

No comments: