জুড়ীতে বিজিবি’র সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী জনসচেতনতা মূলক সভা

সাইফুল ইসলাম সুমন/গোলাম জাকারিয়া: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ৫২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এর আয়োজনে ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানানো হয়। সভায় উপস্থিত জনসাধারণকে তাদের পরিবার এবং সন্তানদেরকে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া জঙ্গী তৎপরতা রোধকল্পে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। যাতে করে কারও সন্তানরা কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠীর সাথে মিলিত হয়ে কোন প্রকার নেক্কারজনক কার্যে লিপ্ত না হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৫২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ নেয়ামুল কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী বন সংরক্ষক রাজেশ চাকমা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক মোঃ হারুন অর রশিদ, জুড়ী থনার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জালাল উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ লেমন, হাজী মাছুম রেজা, শ্রীকান্ত দাস, এমদাদুল ইসলাম লিয়াকত, সালেহ উদ্দিন আহমেদ, মো: ফয়াজ আলী,  সাগরনাল চা-বাগানের ব্যবস্থাপক সুজিত কুমার সাহা প্রমূখ। সভায় প্রায় দুই শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

এদিকে ২০১১ সালের বনজ দ্রব্য পরিবহন (নিয়ন্ত্রণ) বিধি অনুযায়ী, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে বিনা রাজস্বে গাছ কর্তনে অনুমতি পেতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হয়। কিন্তু বন বিভাগের অনুমতি প্রদানে দীর্ঘসূত্রতার কারণে এ ব্যাপারে লোকজনের আগ্রহ কমে যায়। স্থানীয় লোকজন সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে গাছের মালিকানার সনদ নিয়ে গাছ কর্তন ও পরিবহন করেন। গাছ পরিবহনের সময় বিজিবি ও বন বিভাগের লোকজনের সঙ্গে প্রায়ই এলাকাবাসীর বিরোধ ঘটে। এ বিষয়ে সভায় বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নেয়ামুল কবীর ও সহকারী বন সংরক্ষক রাজেশ চাকমা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সনদ নিয়ে গাছ কর্তন ও পরিবহনের কোনো নিয়ম নেই। আইন মেনে সবাইকে চলতে হবে। আবেদনের ১২ কার্যদিবসের মধ্যেই গাছ কর্তন ও পরিবহনের অনুমতি পাওয়া যাবে।

No comments: