পর্যটক বরণে প্রস্তুত চায়ের রাজধানী

শিমুল তরফদার :: ঈদকে ঘিরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দই আলাদা। আর প্রতিবছরে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত পর্যটন জেলা চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখতে সমাগম ঘটে লাখো পর্যটকের।
 বিশেষ করে নয়নাভিরাম শতাধিক চা বাগান, জীব্যবৈচিত্র্যে বরপুর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, দেশের বৃহত্তম জলরাশি মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, দুর্গম পাহাড়ের গহিন জঙ্গলে হামহাম জলপ্রপাত, এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাধবপুর লেক, শ্রীমঙ্গলের স্বাধীনতার বধ্যভূমি, বাইক্কা বিল, আগরের কারখানা, রাবার বাগান, জুড়ির কমলার বাগান, তুর্কি নকশায় নির্মিত শ্রীমঙ্গলের দৃষ্টিনন্দন মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ, মনিপুরি তাঁতশিল্প, খাসিয়াদের চাষকৃত পানের বরজ মৌলভীবাজারের বর্ষিজুড়া ইকোপার্ক সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় জায়গা। সৌন্দর্য উপভোগ করতে ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে অভিজাত সব রেস্ট হাউস থেকে শুরু করে ছোট-বড় হোটেল রিসোর্টগুলো। যাতায়াত : ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া স্টেশনে নামতে হবে। বাসে এলে শ্যামলী, রূপসী বাংলা, এনা, সাদ্দাম, রূপালী বাংলা পরিবহনে এসে শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ও কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা উপজেলায় সুবিধামতো জায়গায় নামতে পারেন। এরপর সিএনজি, বাস, অটোরিকশায়, ট্যাক্সি করে পর্যটন স্পটগুলোয় যাওয়া যায়। প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটন গাইডও রয়েছে। যেখানে থাকবেন : এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য মৌলভীবাজার সদরের দুসাই রিসোর্ট, হোটেল রেস্টইন, ওয়েস্টার্ন রেস্টুরেন্ট, শ্রীমঙ্গলে ফাইভ স্টার হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান অ্যান্ড গলফ, কুলাউড়া উপজেলায় সিআরপি রেস্ট হাউস, গগণঠিলাসহ স্থানীয় সব উপজেলায় সব শ্রেণীর মানুষের জন্য অর্ধশতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে। মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বলেন, পর্যটন স্পটে যাতে কোনো পর্যটন হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য স্পটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। -

No comments: