শ্রীমঙ্গলে নিরপরাধ ছেলেকে মিথ্যা ডাকাতি, ছিনতাইয়ের অপরাধে কোর্টে চালান করে দেয়ার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি : নিরপরাধ ছেলেকে  মিথ্যা ডাকাতি, ছিনতাইয়ের অপরাধে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে চালান করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন এক মা। ১০ সে
তার ছেলে সানোয়ার নিরপরাধ, পুলিশ তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ইতিপুর্বে তার বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় কোন মামলা বা কোথাও সাধারণ কোন অভিযোগ নেই। তিনি আরো জানান, শ্রীমঙ্গলের আইন শৃঙ্খলা উন্নতি হউক তিনিও তা চান। কিন্ত তাই বলে কোন নিরপরাধ ব্যাক্তিকে ধরে জেলে নিয়ে একটা পরিবারকে নিঃস্ব  করে দেওয়া কেন? সানোয়ার আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তার অবর্তমানে আমার পরিবার অনাহারে দিন যাপন করছে। তার দুই বছরের বাচ্চা বাবার চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, সে ডাকাতির সাথে সরাসরি জড়িত না থাকলেও সে ডাকাতদের বড় আশ্রয়তাদা এবং ডাকাতদের তথ্যদাতা হিসাবে যথেষ্ট প্রমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সানোয়ারে স্ত্রী ববিতা আক্তার ও শ্বাশুড়ী সালেহা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
প্টেম্বর শনিবার সকালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন শহরের খাসগাঁও বাসিন্দা মৃত মহসিন মিয়ার স্ত্রী রাহেলা বেগম। মা রাহেলা বেগম লিখিত বক্তব্য জানান, তার ছেলে সানোয়ার মিয়া (২৪) মিনি ট্রাক চালিয়ে মা, বোন, স্ত্রী ও ২ বছরের মেয়ে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গাড়ীর টিপ না পেলে সে রেলওয়ে স্টেশনে লেবু, আনারস ফেরী করে সংসার চালায়। ৭ সেপ্টম্বর বুধবার দুপুরে পুলিশ তাকে তার কালিঘাট রোডস্থ স্টেশন সংলগ্ন শ্বশুর বাড়ী থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে আটক করার কারণ জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, তাকে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে ধরে আনা হয়েছে। পরদিন বিকাল তিন টার দিকে তাকে মিথ্যা ডাকাতি, ছিনতাইয়ের অপরাধে গ্রেফতার দেখিয়ে কোটে চালান করে দেওয়া হয়। মা রাহেলা বেগম জানান, ৩ সেপ্টম্বর রাধানগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তিুতিকালে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পরের দিন কোটে চালান দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ ১৯জনকে আসামী করা হয়। সেখানে সানোয়ারের নাম নেই। অথচ ঘটনার ৪দিন পরে ওই ডাকাতি মামলায় তাকে আটক দেখিয়ে কোটে চালান করা হয়।

No comments: