জুড়ী টাইমস সংবাদঃ ওডিসি নৃত্যশিল্পী সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য দক্ষিণ কলকাতার লেক রোডে খুললেন “Sprish Studio”। উদ্বোধনের দিন উপস্থিত ছিলেন “লাইম এন লাইট” ছবির টিম। উদ্বোধনের পর “Sprish Studio”-তেই বসলো “লাইম এন লাইট” টিমের আড্ডা। সেই জমাটি আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন ছবির নায়িকা টলি কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরিচালক রেশমি মিত্র, ছবির কোরিওগ্রাফার অভিরূপ সেনগুপ্ত এবং “Sprish Studio”-র মালকিন সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য। সুলগ্না তাঁর স্টুডিও নিয়ে জানালেন তাঁর পরিকল্পনা, আড্ডার মধ্যমণি ঋতুপর্ণা জমিয়ে দিলেন। ”লাইম এন লাইট” ছবিটি অনেকগুলো কারণের জন্য বাংলা ছবির ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। প্রথম কারণটি হল-ছবির চিত্রনাট্যকার, সঙ্গীত পরিচালক, পরিচালক সবাই মহিলা। দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবিতেই প্রথম দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তৃতীয়ত এই ছবি দিয়েই অন্বেষা দত্তগুপ্ত সংগীত পরিচালক হিসেবে ডেবিউ করে ফেললেন। চতুর্থত অভিরূপ সেনগুপ্তও এই প্রথম ছবিতে কোরিওগ্রাফি করলেন।
 
ছবির স্ক্রিপ্ট করেছেন পারমিতা মুন্সি। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বেশিরভাগ কস্টিউম করেছেন ইরানি মিত্র। এদিন একটি প্রতিযোগিতার কথাও ঘোষণা হয়। একটি গানের সঙ্গে যে কাপেলরা ড্যান্স করে, সেই ড্যান্সের ভিডিও “লাইম এন লাইট”-এর ফেসবুক পেজে আপলোড করবেন-তাদের থেকে যারা জয়লাভ করবেন তারা তো প্রিমিয়ারের টিকিট পাবেনই, সঙ্গে পেয়ে যাবেন রেশমি মিত্রর পরের ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ। এদিনের আড্ডার সমস্ত ছবি ক্যামেরাবন্দি করলেন চিত্রগ্রাহক বিশ্বজিত সাহা।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ বিগত বছরের নভেম্বর মাসের ১১ তারিখে বামনা উপজেলায় প্রথম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন শিউলী হরি। মাত্র দশ মাসে তিনি এ উপজেলায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

জানা গেছে, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার ৩১তম ব্যাচে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৩ সালে প্রথমে পিরোজপুরে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করে তিনি। সেখান থেকে ময়মনসিংহ জেলায় একই পদে কিছুদিন চাকরি করার পর একই জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে যোগদান করেন। পরে তিনি পদোন্নতি পেয়ে বরগুনা জেলার বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। বামনায় যোগদানের পর তিনি অনেক দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। এলাকা এলাকা ঘুরে স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সহায়তায় তিনি বিভিন্ন দুঃস্থ অসহায় সহায়সম্ভলহীন মানুষের খোঁজ-খবর নেন। নিজের ব্যক্তিগত অর্থ থেকে বিভিন্ন সময়ে তাদের আর্থিক সহায়তা করে থাকেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।

ঘূর্ণিঝর ফণির ভয়াল তাণ্ডবে যখন বামনা উপকূলবাসী আতঙ্কিত তখন এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিন রাত বেড়ি বাঁধের বাইরে বসবাস করা লোকজনের কাছে ছুটে গেছেন। নিজ হাতে তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন তিনি। তাৎক্ষণিক সকল কেন্দ্রে নিজে গিয়ে আশ্রিত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। চলতি বছর পাবলিক সার্ভিস ডে অনুষ্ঠানে বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরিকে আর্তমানবতার সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কৃত করে সিভিল সার্ভিস কমিশন। 

শুধু আর্তমানবতার সেবাই নয় তিনি বামনা উপজেলায় যোগদানের পর প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করতে সক্ষম হয়েছেন দাবি করেছেন একাধীক কর্মকর্তা।  গত ৩১ মার্চ পশ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের বামনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার নিরপক্ষ ভূমিকার কারণে বামনার সাধারণ ভোটাররা ভয়ভীতি কাটিয়ে থেকে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়েছে। বিষখালী নদীর অব্যহত ভাঙনে উপজেলার রামনা ইউনিয়নের দক্ষিন রামনা গ্রাম ও সদর ইউনিয়নের চেঁচান গ্রামে বেরিবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হলে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানায়। তিনি স্থানীয় এমপির সহোগিতায় বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার ব্যবস্থা করেন।

জাফ্রাখালী গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানজুরা বেগম জানায়, তার অসহায়ত্বের খবর শুনে একদিন দুপুরে তার বাড়িতে আসেন নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি তাকে তার অফিসে আসতে বলেন। এবং অফিসে আসার খরচ টাকাও দিয়ে আসেন। পরের দিন সে অফিসে আসলে তাকে জরুরি ত্রাণ তহবিল থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরির সাবেক কর্মস্থল ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ার সাংবাদিক আবদুল হালিম জানায়, শিউলী হরি এ উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) থাকাকালীন সময়ে ঘুষ দুর্নীতি ছিলো শুন্যের কোঠায়। ভূমি অফিসে আগত লোকজন তাদের কাঙ্খিত সেবা পেতো। অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তিনি চলে আসার পরে অনেকেই চোখের জল ফেলেছেন। 

বুকাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সবুজ জানান, এরকম একজন নির্বাহী কর্মকর্তা বামনার মনুষ আর কখনো পাবে বলে মনে হয় না। যিনি তার বেতনের একটি টাকাও নিজে খরচ করেন না। সব কিছুই গরিব অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেন। 

বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোশাররফ হোসেন জমাদ্দার বলেন, ইউএনও মহোদয় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, মাদরাসায় তিনি নিজ খরচে আর্থিক অনুদান প্রদান করে আসছেন। বিভিন্ন দিবসে এতিমদের নিজের বেতনের টাকায় নিজে উপস্থিত থেকে তাদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। 

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, বামনা উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি এক কথায় খুবই ভালো মানুষ। যেমন তিনি মানবিক তেমনি তিনি সাহসিক। বিভিন্ন সময়ে আমি দুঃস্থদের অনুদান প্রদান করার জন্য তাকে দ্বায়িত্ব দিয়ে দেখেছি তিনি সততার সাথে সঠিক দুঃস্থদের মাঝে তা বণ্টন করেছেন। 


জুড়ী টাইমস সংবাদঃ আবারো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শ্রেষ্ঠ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ওয়ারী জোন) নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ নূরুল আমিন ।

সম্প্রতি ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ডিসেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
সেপ্টম্বর মাসে,  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শ্রেষ্ঠ এডিসি মোহাম্মদ নূরুল আমিন ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এডিসি মোহাম্মদ নূরুল আমিন টানা দ্বিতীয় বার শ্রেষ্ঠ ডিসি নির্বাচিত হয়েছেন। 

এদিকে এডিসি মোহাম্মদ নূরুল আমিন বৃহৎ সামাজিক সংগঠন ঢাকাস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ক্রীড়া, চিত্তবিনোদন ও সংস্কৃতি সম্পাদক হওয়ায় জালালাবাদবাসী তাঁর এই সফলতার জন্য অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 


জুড়ী টাইমস সংবাদঃ নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান ও মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাবেক সফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম সরকার কে চুয়াডাঙ্গার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ২৫ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে ও সিনিয়র সহকারী সচিব কে এম আল আমীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়ার তথ্য জানানো হয়েছে।


এদিকে নরসিংদী জেলার কৃতি সন্তান ও জুড়ীর সাবেক ইউএনও মোঃ নজরুল ইসলাম সরকারকে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন নরসিংদীবাসী। অপরদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলায়ও নতুন ডিসিকে বরণ করে নিতে স্বাগতম জানিয়েছেন সেখানকার অনেকেই। অপর দিকে নজরুল ইসলাম সরকার ডিসি হওয়ায় মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাঁকে।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ সম্মেলনের উনিশ মাস পর গত ১৩ নভেম্বর মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের ১৬সদস্যের কমিটি অনুমোদন করে জেলা ছাত্রলীগ। এর তিনদিনের মাথায় ১৫ নভেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্ত কমিটির সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করে।

কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় উক্ত কমিটির সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো এবং অধিকতর তদন্তের জন্য মো: শাকিল ভূইয়া ও হায়দার মোহাম্মদ জিতুকে দিয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হলো। উক্ত তদন্ত কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এদিকে উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তি ফেসবুকে প্রকাশ হবার পর শুক্রবার রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এর সমর্র্থনে ছাত্রলীগের একটি অংশ শহরে মিছিল করে। পরে নবগঠিত জুড়ী উপজেলা ও কলেজ কমিটির সদস্যবৃন্দ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে শহরে মিছিল বের করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি কলেজ রোড থেকে ফেরার পথে কয়েকটি মোটর সাইকেল দ্রুতবেগে মিছিলের ভিতর ঢুকে পড়লে উভয়পক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক দেখা দেয়।

জানতে চাইলে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: ফয়ছল আহমদ বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল চলাকালে আবু সাঈদ আরিফ, আল আমিন, মোহাইমিনসহ কয়েকজন মিছিলের উপর ৫/৬টি মোটর সাইকেল তুলে দেয়, এতে দু’জন ছাত্রলীগকর্মীর পা কেটে যায়। তিনি বলেন, অভিযোগকারী বা অভিযোগ সম্পর্কে আমরা অবগত নই। তবে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমরা সুবিচার প্রত্যাশা করি।    
বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নিখিল বিশ্বাস (৫০) হত্যাকান্ডের ৬ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী রিপন বিশ্বাসকে (২৫) শনিবার রাত ১টায় বাড়ী থেকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের নিখিল বিশ্বাসের পুত্র অর্জুন বিশ্বাস (২৫) একই গ্রামের নরেশ বিশ্বাসের পুত্র রিপন বিশ্বাসের সাথে দীর্র্ঘদিন থেকে চলাফেরা করত। রিপন প্রায় দিন অর্জুনকে বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরের কাজে নিত। এক সাথে চলার সুবাদে দু’জনই মদ পান করত। এ নিয়ে নিখিল বিশ্বাস তার ছেলের সাথে না চলার জন্য রিপনকে বাধা দিত।

শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কুচাই বাজারে এ নিয়ে রিপনের সাথে নিখিলের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রিপনের গলা টিপে ধরে নিখিল। উপস্থিত লোকজন তাদের ছাড়িয়ে দেয়। এতে রাগাম্বিত হয়ে রিপন বাড়ী চলে যায়। বাড়ী থেকে কাজের দা নিয়ে রাস্তায় ওৎপেতে থাকে। সন্ধ্যার পরে নিখিল বাড়ী ফেরার সময় রিপন তাকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ী কুপিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত আটটায় একটি ছড়া থেকে নিখিলের লাশ উদ্ধার করে।

জুড়ী থানায় রিপন বিশ্বাস গলায় দাগ দেখিয়ে সাংবাদিকদের জানায়, ‍"প্রায় ৪মাস থেকে অর্জুনের সাথে আমার চলাফেরা বন্ধ। এরপরেও তার বাবা আমার গলা টিপে ধরায় আমি ক্ষুব্ধ হই। পরে মদ পান করে তাকে দা দিয়ে কুপাই। তখন কি করেছি আমি নিজেই বলতে পারিনা।"

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, নিখিলের মাথাসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু কুপ রয়েছে। ঘটনার পর পুলিশী অনুসন্ধানে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকারী রিপনকে আটক করা হয়। নিখিলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ এবং রিপনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের একটি পাহাড়ি ছড়া থেকে নিখিল বিশ্বাস (৫০) নামের এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যবসায়ী নিখিলের বাড়ি উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। পুলিশের ধারণা তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিখিল পান-সুপারি ও কলার ব্যবসা করেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে হরমাছড়া নামের একটি পাহাড়ি ছড়ার কাছে ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ বলে চিৎকার শুনতে পান স্থানীয় লোকেরা। পরে সেখানে গিয়ে তাঁরা রক্তাক্ত অবস্থায় নিখিলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

জুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিখিলের মাথা, ঘাড় ও কপালে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একটি মামলা করা হবে।